Friday, September 8, 2017

অনলাইন আয়ের নানা পথ, আপনি যাবেন কোন দিকে?

অনলাইনে এখন অনেকেই আয় করছেন। অনেকেই নতুন করে শুরু করার চেষ্টা করছেন বা করবেন কিন্তু কোথা থেকে শুরু করবেন বা কিভাবে শুরু করবেন এই ব্যাপারে সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না।


যখন মানুষ বিশ্বাস করতে শুরু করে যে অনলাইনে আসলে ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব এবং নিজের অনলাইন প্রফেশনে আসার ইচ্ছা তৈরি হয় তখন শুরু হয় নতুন সমস্যা। ফেসবুক, ইউটিউব ও ব্লগে পড়ে কয়েক ধরনের অনলাইন ক্যারিয়ারের আয় এবং সম্ভাবনা সম্পর্কে যখন তাদের ধারনা তৈরি হয় তখন অনেকেই অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ার লক্ষে বা অন্য কোন কারনে এমন অনলাইন প্রফেশনে চলে যায় যেটা তার জন্য উপযুক্ত নয়, হয়তো অন্য কোন প্রফেশনে সে আরও ভালো করতো। যেমনঃ কেউ ভালো রেসিপি জেনেও রেসিপি নিয়ে ইউটিউব চ্যানেল কিংবা ব্লগ তৈরি না করে সে দৌড়ায় প্রোগ্রামিং শেখার ব্যপারে। অথচ রেসিপির ইউটিউব চ্যানেল নিয়ে কাজ করলে কতোটা সহজেই না সে ক্যারিয়ার গড়তে পারতো। তাই নিচে কিছু প্রফেশনের সংক্ষিপ্ত আলচনা করা হলঃ

অনলাইন আয়ের কিছু উপায়ঃ
ফ্রিল্যান্সিং
নতুন অনেকেই আসলে ফ্রিল্যান্সিং কে একটা প্রফেশন মনে করে। এটা আসলে একটা প্রফেশন না। কাজ করার একটা সিস্টেম মাত্র। এখানে আপনি যে কাজ জানেন বা করেন সেই কাজ ফিক্সড সেলারির জবে না করে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কারো মাধ্যমে হায়ার হয়ে করবেন। যেমন আপনি যদি ফটোগ্রাফার হয়ে থাকেন তাহলে হঠাৎ কোন একটা কোম্পানির কিছু প্রোডাক্টের ছবি তোলার দরকার হলে তারা যদি আপনাকে হায়ার করে তাহলে আপনি ফ্রিল্যান্স ফটোগ্রাফার। এখন ফ্রিল্যান্সিং হিসেবে আপনি নানা কিছু করতে পারেন, যেমনঃ ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, প্রোগ্রামিং, অনলাইন মার্কেটিং, এসইও, রাইটিং, এনালাইজিং ইত্যাদি।

এফিলিয়েট মার্কেটিং
এটা এক ধরনের অনলাইন মার্কেটিং। যদিও নতুন অনেকেই মনে করেন অনলাইন আয়ের সব কিছুই ফ্রিল্যান্সিং, কিন্তু আসলে এফিলিয়েট মার্কেটিং বা কোন ধরনের অনলাইন মার্কেটিং এর সাথে সরাসরি ফ্রিল্যান্সিং এর কোন সম্পর্কই নেই যদি না আপনি হায়ার হয়ে অন্য কারো প্রোজেক্টের মার্কেটিং এর কাজ না করেন। এফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে এককথায় বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়া ব্যবহার করে ই-কমার্স সাইট গুলো থেকে বিভিন্ন কোম্পানির প্রোডাক্ট কমিশনের ভিত্তিতে সেল করে দেওয়া। এক্ষেত্রে আপনি নিজের ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ বা ইউটিউব ভিডিও ব্যবহার করতে পারেন। যখন নিজেই নিজের জন্য একটা মার্কেটিং প্রজেক্ট দাড় করাবেন এবং সেখানে কাজ করবেন তখন এটা এক ধরনের অনলাইন ইন্টাপ্রেনরশিপ, কোন ফ্রিল্যান্সিং নয়।

সিপিএ মার্কেটিং
এটাও এক ধরনের অনলাইন মার্কেটিং। এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সাথে এর পার্থক্য একটাই। এফিলিয়েটে প্রোডাক্ট মার্কেটিং করতে হয় আর এখানে মার্কেটিং করতে হয় একশন। এ কারনেই এটার নাম সিপিএ (Cost Per Action). যেমনঃ BDJobs এর মত কোন চাকুরীর পোর্টাল যদি মার্কেটারদেরকে প্রতি ইউজার রেজিস্ট্রেশান করিয়ে দেওয়া বাবত ৫ ডলার পে করে তাহলে আপনি যদি এটা প্রমোট করে ১ দিনে ১০ জনকে রেজিস্ট্রেশান করিয়ে দিতে পারেন তাহলে আপনার আয় হবে ৫০ ডলার। এটাই হচ্ছে সিপিএ মার্কেটিং।

ইউটিউব অ্যাডসেন্স 
ইউটিউব থেকে আয় করা যায় এটা এখন অনেকেরই জানা। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে ইউটিউব থেকে কয়েক ভাবে আয় করা যায়। তার মধ্যে সবথেকে সহজ এবং জনপ্রিয় হচ্ছে ইউটিউব অ্যাডসেন্স। এখানে আপনার ভিডিও দেখার সময় ভিউয়ার যখন কোন কোম্পানির অ্যাড দেখবে তার জন্য গুগল অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে ঐ কোম্পানি আপনাকে পে করবে।

ইউটিউব মার্কেটিং
ইউটিউব এ ভিডিও আপলোড করার মাধ্যমে জখন আপনি কোন কোম্পানির প্রোডাক্ট বা একশন প্রমোশন করবেন তখন সেটা ইউটিউব মার্কেটিং। যদি সেটা প্রোডাক্ট হয় তাহলে আপনি করছেন এফিলিয়েট মার্কেটিং আর যদি একশন হয় তাহলে সিপিএ মার্কেটিং।
এখন কথা হচ্ছে অনলাইন ক্যারিয়ারে আসা একজন নতুন লোক বা নতুন করে আসতে যে আগ্রহী তার জন্য এটা বুঝে উঠা কঠিন যে কোন অনলাইন ক্যারিয়ার তার বেছে নেওয়া উচিৎ বা কোনটা করলে সে ভালো করতে পারবে।

No comments:

SEO (Search engine optimization) এর A to Z - part 14

কিভাবে আপনি কার্যকারি Title Tag লিখবেন: এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা পার্ট আপনার ওয়েবসাইটের এর জন্য। কারন আগেই বলেছি এটাই আপনার পোস্টের এবং...

Career