আপানি জানেন কি যে ফেইসবুক এ ঘন্টার পর ঘণ্টা সময় কাটাচ্ছেন একটু মনোযোগী হলে সেই ফেইসবুকই হতে পারে আপানার আয়ের বড় একটা উৎস। অবাক হবার মত কিছু বলি নি ,ইন্টারনেটের এই যুগে সবাই কম বেশি তা জানে এবং এই জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে উপার্জন করছে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা। আসলে দুনিয়াতে কোন কিছুই অকাজের না,কিন্তু কথা হল কে কিভাবে সেই জিনিসটাকে কাজে লাগাচ্ছে বা ব্যবহার করছে। ঘন্টার পর ঘণ্টা সময় ব্যয় করে যেখানে আপনি লাইক দিচ্চেন,কমেন্টস করছেন,ছবি পোস্ট করছেন সেই ফেইসবুক থেকেই হয়ত আপানার কোন ভাই বা বুন্ধু হয়ত লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা ইনকাম করছে। তো ফেইসবুক থেকে এই ইনকামটা আসলে কিভাবে হয় সেটাইত বলা হয় নি। চিন্তার কোন কারন নেই আমি আজ আপানাদেরকে বলব কিভাবে এই কাজটি আপানি খুব সহজে করে ফেলতে পারেন। খুব যে সহজ তা কিন্তু না,টাকা আয় করবেন আর সেখানে পরিশ্রম থাকবে না তা কি হয় আপানারাই বলুন। আসুন আমাদের এই মূল্যবান সময় টুকো ফেইসবুকে ভাল কাজে লাগিয়ে নিজের ও পরিবারের জন্য কিছু করার চেষ্টা করি আর তখনই আপানার ফেইসবুক ব্যবহার সার্থক হবে বলে আমি মনে করি।
ফেইসবুক মার্কেটিং এর জন্য যা লাগবেঃ
১।একটি ফেইসবুক আইডি যা আমাদের সকলেরই আছে (খুব সহজ মনে হচ্ছে)
২।ফেইসবুক এ একটি গ্রুপ ক্রিয়েট করুণ এবং কয়েক লক্ষ্য মেম্বার তৈরি করুণ। (এই বুঝি কষ্ট শুরু হয়ে গেল)
৩।অথবা ফেইসবুক এ একটি ফ্যান পেইজ ক্রিয়েট করুণ এবং কয়েক লক্ষ্য মেম্বার তৈরি করুণ
মনে রাখবেন মেম্বার যত বেশি হবে আপানার আয় ও তত বেশি হবে।
ফেইসবুক মার্কেটিং কিসের উপর করবেনঃ
ফেইসবুক মার্কেটিং বিভিন্ন বিষয়ের উপর করতে পারেন যেমন
আমি কয়েকটি বলছি
১।ব্লগ এর উপর
২। ওয়েবসাইট এর উপর
৩।ইকমার্স ওয়েবসাইট এর উপর
৪।ইউটিউব নিয়ে ও করতে পারেন
কিভাবে করবেন ফেইসবুক মার্কেটিংঃ
১।ব্লগ এর উপরঃ একটি জিমেইল একাউন্ট খুলুন এবং এটি দিয়ে একটি ব্লগ বানিয়ে নিন। মাত্র ২-৩ মিনিটে আপানি একটি ব্লগ বানিয়ে নিতে পারেন। এবার এই ব্লগ এ আপনার যা স্মপর্কে ভাল ধারনা আছে তা নিয়ে কিছু লিখা লিখি করুণ ও ব্লগ এ কিছু অ্যাড বসান এবং এই লিখা গুলো আপানার ফেইসবুক গ্রুপ বা ফেইসবুক পেজ এ পোস্ট করুণ বা আপানার ব্লগ এর লিংক গুলো পোস্ট করুণ। যখন কেউ এই পোস্ট গুলুতে ক্লিক করবে তখন সে আপানার ব্লগ এ চলে যাবে ফলে আপানার ব্লগ এর ভিজিটর বাড়বে এবং আপানার ইনকাম ও বেড়ে যাবে।
২। ওয়েবসাইট এর উপরঃ চাইলে একটি ফ্রী বা প্রিমিয়াম ওয়েবসাইট বানাতে পারেন। ভাল হয় যদি প্রিমিয়াম হয়। প্রিমিয়াম মানে হল আপানার একটি ডুমেইন নেম এবং একটি হোস্টিং কিনতে হবে। ডোমেইন হল আপানার ওয়েবসাইট এর নাম এবং হোস্টিং হল ওয়েবসাইট এ যে কন্টেন্ট বা ছবি রাখা হয় তার জন্য একটা জায়গা দরকার ,আর এই জায়গাটাই হল হোস্টিং। প্রিমিয়াম সাইট এর ভেলু বেশি হয় এবং অ্যাড থেকে ভাল ইনকাম ও হয়। এখানে কাজের নিয়মটা একেবারে ব্লগ এর মতই।
৩।ইকমার্স ওয়েবসাইট এর উপরঃ ইকমার্স সাইট থেকে দুই ভাবে আয় করতে পারেন। প্রথমত আপানার ইকমার্স সাইট এর প্রোডাক্টস ফেইসবুকে প্রচার করে এবং দ্বিতীয়ত অ্যাড এর মাধ্যমে। ইন্টারনেটের এই যুগে সব কিছুই অনলাইন নির্ভ্রর হয়ে পরছে তাই মানুষ এখন ঘরে বসেই বেসির ভাগ কেনাকাটা সেরে ফেলে। তাই ইকমার্স ওয়েবসাইট হতে পারে আপানার আয়ের অন্যতম একটি প্রধান উৎস।
৪।ইউটিউব নিয়ে ও করতে পারেনঃ চাইলে ইউটিউব এর লিংক শেয়ার করে ভিউয়ার বাড়িয়ে ও আপানি আয় করতে পারেন।
সবশেষে বলতে চায় কোন কিছুই মানুষের দ্বারা অস্মবব নয় যদি কাজ করার ইচ্ছাটা প্রবল হয়। এই পৃথিবিতে সন চাইতে কঠিন কাজটাই হল টাকা উপার্জন আর এই টাকা উপার্জন করার জন্য চেস্টা বা পরিশ্রম করবেন না তা কি হয়। চেস্টা করুণ দেখবেন আপানি ও একদিন অনেক ভালভাবেই সফল হবেন ইনশাল্লাহ।
ফেইসবুক মার্কেটিং এর জন্য যা লাগবেঃ
১।একটি ফেইসবুক আইডি যা আমাদের সকলেরই আছে (খুব সহজ মনে হচ্ছে)
২।ফেইসবুক এ একটি গ্রুপ ক্রিয়েট করুণ এবং কয়েক লক্ষ্য মেম্বার তৈরি করুণ। (এই বুঝি কষ্ট শুরু হয়ে গেল)
৩।অথবা ফেইসবুক এ একটি ফ্যান পেইজ ক্রিয়েট করুণ এবং কয়েক লক্ষ্য মেম্বার তৈরি করুণ
মনে রাখবেন মেম্বার যত বেশি হবে আপানার আয় ও তত বেশি হবে।
ফেইসবুক মার্কেটিং কিসের উপর করবেনঃ
ফেইসবুক মার্কেটিং বিভিন্ন বিষয়ের উপর করতে পারেন যেমন
আমি কয়েকটি বলছি
১।ব্লগ এর উপর
২। ওয়েবসাইট এর উপর
৩।ইকমার্স ওয়েবসাইট এর উপর
৪।ইউটিউব নিয়ে ও করতে পারেন
কিভাবে করবেন ফেইসবুক মার্কেটিংঃ
১।ব্লগ এর উপরঃ একটি জিমেইল একাউন্ট খুলুন এবং এটি দিয়ে একটি ব্লগ বানিয়ে নিন। মাত্র ২-৩ মিনিটে আপানি একটি ব্লগ বানিয়ে নিতে পারেন। এবার এই ব্লগ এ আপনার যা স্মপর্কে ভাল ধারনা আছে তা নিয়ে কিছু লিখা লিখি করুণ ও ব্লগ এ কিছু অ্যাড বসান এবং এই লিখা গুলো আপানার ফেইসবুক গ্রুপ বা ফেইসবুক পেজ এ পোস্ট করুণ বা আপানার ব্লগ এর লিংক গুলো পোস্ট করুণ। যখন কেউ এই পোস্ট গুলুতে ক্লিক করবে তখন সে আপানার ব্লগ এ চলে যাবে ফলে আপানার ব্লগ এর ভিজিটর বাড়বে এবং আপানার ইনকাম ও বেড়ে যাবে।
২। ওয়েবসাইট এর উপরঃ চাইলে একটি ফ্রী বা প্রিমিয়াম ওয়েবসাইট বানাতে পারেন। ভাল হয় যদি প্রিমিয়াম হয়। প্রিমিয়াম মানে হল আপানার একটি ডুমেইন নেম এবং একটি হোস্টিং কিনতে হবে। ডোমেইন হল আপানার ওয়েবসাইট এর নাম এবং হোস্টিং হল ওয়েবসাইট এ যে কন্টেন্ট বা ছবি রাখা হয় তার জন্য একটা জায়গা দরকার ,আর এই জায়গাটাই হল হোস্টিং। প্রিমিয়াম সাইট এর ভেলু বেশি হয় এবং অ্যাড থেকে ভাল ইনকাম ও হয়। এখানে কাজের নিয়মটা একেবারে ব্লগ এর মতই।
৩।ইকমার্স ওয়েবসাইট এর উপরঃ ইকমার্স সাইট থেকে দুই ভাবে আয় করতে পারেন। প্রথমত আপানার ইকমার্স সাইট এর প্রোডাক্টস ফেইসবুকে প্রচার করে এবং দ্বিতীয়ত অ্যাড এর মাধ্যমে। ইন্টারনেটের এই যুগে সব কিছুই অনলাইন নির্ভ্রর হয়ে পরছে তাই মানুষ এখন ঘরে বসেই বেসির ভাগ কেনাকাটা সেরে ফেলে। তাই ইকমার্স ওয়েবসাইট হতে পারে আপানার আয়ের অন্যতম একটি প্রধান উৎস।
৪।ইউটিউব নিয়ে ও করতে পারেনঃ চাইলে ইউটিউব এর লিংক শেয়ার করে ভিউয়ার বাড়িয়ে ও আপানি আয় করতে পারেন।
সবশেষে বলতে চায় কোন কিছুই মানুষের দ্বারা অস্মবব নয় যদি কাজ করার ইচ্ছাটা প্রবল হয়। এই পৃথিবিতে সন চাইতে কঠিন কাজটাই হল টাকা উপার্জন আর এই টাকা উপার্জন করার জন্য চেস্টা বা পরিশ্রম করবেন না তা কি হয়। চেস্টা করুণ দেখবেন আপানি ও একদিন অনেক ভালভাবেই সফল হবেন ইনশাল্লাহ।
No comments:
Post a Comment